1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ ঢাকাজুড়ে কর্মসূচির ভিড়: বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের সভা–সমাবেশ টুটপাড়া ট্রিপল মার্ডার: আলোচিত আসামি বিসমিল্লাহ গ্রেপ্তার, রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে শবে বরাতের রাতে ভাইরাল মির্জা-কন্যার ফেসবুক পোস্ট জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: ডিবির হাতে আটক বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভারী বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কা, মরক্কোর এক শহর থেকে সরানো হলো অর্ধেকের বেশি মানুষ টানা তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত জাপান, প্রাণ হারালেন অন্তত ৩০ জন শাকিবের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন নুসরাত ফারিয়া

‎নওয়াপাড়ায় রিজিয়া (প্রাঃ) হাসপাতালে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুকে হাসপাতাল কর্মচারীর যোগসাজশে বিক্রি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

যোগসাজশে কোলের শিশু বিক্রি, পরে ‘মৃত’ ঘোষণার নাটক করে ১ লক্ষ ৬০ হাজারে বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক

‎যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় অবস্থিত রিজিয়া (প্রাঃ) হাসপাতালে সদ্য জন্ম নেওয়া এক নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, কর্মচারী ও একটি সংঘবদ্ধ শিশুবিক্রি সিন্ডিকেটের যোগসাজশে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২৯ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের কেফায়েত নগর মাঠপাড়া গ্রামের আবুল শেখ মিস্ত্রির মেয়ে ও মো. টুটুলের স্ত্রী মারুফা খাতুন (৩৬) সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য নওয়াপাড়া রিজিয়া (প্রাঃ) হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের ভর্তি রেজিস্ট্রার অনুযায়ী, তার সিরিয়াল নম্বর ছিল ১৯৯২ এবং একই দিন সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একটি সুস্থ পুত্রসন্তান জন্ম নেয়।
‎কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, জন্মের কিছু সময় পর হাসপাতালের নার্স ও কর্মচারীদের সহযোগিতায় রহিমা বেগম ও রতনা নামের দুই নারী কৌশলে নবজাতককে মারুফা খাতুনের কোল থেকে সরিয়ে নেয়। পরে শিশুটিকে ঢাকায় একটি শিশুবিক্রি চক্রের কাছে এক লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। শিশুটিকে একটি প্রাইভেটকারে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা শিশুটি অপারেশনের পর মারা গেছে বলে প্রচার চালায়। অথচ ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তারা শিশুর মৃত্যুর কোনো প্রমাণ, ডেথ সার্টিফিকেট বা লিখিত কাগজপত্র পাননি।
‎এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুরুতে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে। তবে রিজিয়া (প্রাঃ) হাসপাতালের পরিচালক ডা. আইয়ুব আলী বলেন,
‎“অপারেশনের পর মা ও বাচ্চা দু’জনেই সুস্থ ছিল। আমি কোনো ছাড়পত্র দেইনি। কীভাবে শিশুটি হাসপাতাল থেকে বের হলো, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং একটি সংঘবদ্ধ শিশুবিক্রি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এই হাসপাতালকে ব্যবহার করে আসছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
‎এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট