
লেখকঃ সাংবাদিক কামাল, অভয়নগর যশোর
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর–২ (৮৬) আসনে রাজনীতির মাঠে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নি। ব্যতিক্রমী প্রচারণা, জনসম্পৃক্ততা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের কারণে তিনি এখন সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। গ্রাম থেকে গ্রাম, হাট–বাজার, পাড়া–মহল্লায় সাবিরা সুলতানা মুন্নির উপস্থিতি যেন এক নতুন আশার বার্তা নিয়ে এসেছে। মুখে মুখে ফিরছে একটাই কথা, এই মানুষটা আমাদের, আমাদের কথাই বলেন। রাজনৈতিক আড়ম্বরের বদলে সহজ, সৎ ও মানবিক ভাষায় মানুষের দুঃখ–কষ্টের কথা শোনাই তার প্রচারণার মূল শক্তি। সাবিরা সুলতানা মুন্নির রাজনৈতিক জীবন কোনো আরামদায়ক পথে গড়ে ওঠেনি। বিরুদ্ধ সময়ে দলের জন্য রাজপথে থাকা, আন্দোলন–সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আপসহীন অবস্থান তাকে আলাদা পরিচয় দিয়েছে। রাজনৈতিক নিপীড়ন, বাধা ও হুমকির মুখেও তিনি পিছু হটেননি, বরং আরও দৃঢ় হয়েছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, দুঃসময়ে যিনি পাশে থাকেন, সুখের সময় তার পাশে মানুষ থাকবেই, সাবিরা সুলতানা মুন্নির ক্ষেত্রে সেটিই প্রমাণিত হচ্ছে। নারী, যুবক, প্রবীণ, সব শ্রেণির ভোটারের কাছে তিনি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণে তার প্রচারণা নতুন মাত্রা পেয়েছে। অনেকেই বলছেন, সাবিরা সুলতানা মুন্নি কেবল একজন প্রার্থী নন, তিনি একজন সাহসী প্রতিনিধি, যিনি সংসদে গিয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরবেন। স্থানীয় এক প্রবীণ ভোটার বলেন,অনেক এমপি দেখেছি, কিন্তু মুন্নির মতো মানুষের কাছে এসে কথা বলা লোক কম। তাই এবার ধানের শীষেই ভোট দেব। সব মিলিয়ে যশোর–২ আসনে সাবিরা সুলতানা মুন্নি এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান জনসমর্থন ও মাঠপর্যায়ের চিত্র বিবেচনায় তিনি এই আসনে এক শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে, যশোর–২ আসনে সাধারণ মানুষের মনের মুকুটে এখন একটাই নাম, সাবিরা সুলতানা মুন্নি।