
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই দিন সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা কয়েক দিনের ছুটি ভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটের দিন সাধারণ ছুটি থাকায় সরকারি অফিস, আদালত ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
এর পরের দিন শুক্রবার ও শনিবার নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা তিন দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাধারণ ছুটির কারণে অনেক বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকতে পারে। ভোটের দিন সব নাগরিক যেন নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য রয়েছে আরেকটি দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র শবে বরাত আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) পালিত হতে পারে। তবে এ তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।
শবে বরাত যদি ৪ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়, সে ক্ষেত্রে ওই দিনের পরদিন বৃহস্পতিবার এক দিনের ছুটি নেওয়া সম্ভব হলে টানা চার দিনের ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হবে। অন্যদিকে, চাঁদের হিসাব অনুযায়ী শবে বরাত যদি ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ওই দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এর পর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সে ক্ষেত্রেও টানা তিন দিনের ছুটি মিলতে পারে।সব মিলিয়ে নির্বাচন ও ধর্মীয় ছুটিকে কেন্দ্র করে ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য একাধিক দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা অনেকের জন্য ভ্রমণ ও পারিবারিক সময় কাটানোর সুযোগ এনে দিতে পারে।