
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো পার্কজুড়ে ভাঙাচোরা অবকাঠামো, ঝোপঝাড়ে ঢাকা পরিবেশ, কোথাও নেই কোনো সীমানাপ্রাচীর বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার চিহ্ন। দিনের বেলায় এটি গবাদিপশুর বিচরণস্থল, আর সন্ধ্যার পর সেখানে জড়ো হয় বখাটে ও মাদকাসক্তদের দল।
২০১৬–১৭ অর্থবছরে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পার্কটি ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে উদ্বোধনের পর কিছুদিন শিশুদের প্রাণবন্ত বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায়। কিন্তু টেকসই রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় দ্রুতই এটি পরিত্যক্ত স্থানে পরিণত হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, “পার্কটি এখন নিরাপত্তাহীনতার প্রতীক। রাতে মাদকসেবীদের আড্ডা শুধু সামাজিক অস্থিরতা বাড়াচ্ছে না, বরং দিনের বেলায় শিশুরাও এখানে নিরাপদ পরিবেশ পাচ্ছে না।
হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, “পার্ক এলাকায় একাধিকবার মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর নজরদারি বাড়ানো হবে।
হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মন জানান, “বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর টহল জোরদারের পাশাপাশি সীমানাপ্রাচীর ও লাইটিং স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে।