1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার গ্রেফতার ৪ দাগনভুঁইয়ায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের  এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর শর্ত সাপেক্ষে ক্রিকেটে ফিরতে প্রস্তুত কোয়াব মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে জখম, পিস্তল দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গনতন্ত্র পরিষদের সিলেট জেলা শাখার ৭১ বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ বকেয়া ভাতা তুলতে ঘুস দাবি, বাঁশখালীতে পরিবার পরিকল্পনার অফিস সহকারী গ্রেপ্তার রংপুরে কারাগারে থাকা বিষাক্ত মদ বিক্রেতার মৃত্যু

গাছি সংকটে কমছে রস–গুড় উৎপাদন, হুমকিতে যশোরের খেজুর শিল্প

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

পেশায় অনাগ্রহ, ঝুঁকি আর আধুনিক যন্ত্রের অভাবে কমছে উৎপাদন বিপদে গাছি ও গাছের মালিকরা

রিপন হোসেন সাজু, মনিরামপুর (যশোর)

যশোর অঞ্চলে খেজুরগাছের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও রস ও গুড়ের উৎপাদন উল্টো কমছে। গাছি সংকট, পেশায় অনাগ্রহ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং আধুনিক যন্ত্রের অভাবে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস সংগ্রহের শিল্প বড় ধরনের চাপে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গাছিরা, সমস্যায় গাছের মালিকরাও।

মনিরামপুর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের অভিজ্ঞ গাছি আব্দুস সামাদ (৬৫) প্রায় ৫০ বছর ধরে খেজুরগাছে কাটার কাজ করছেন। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আগের মতো আর পারি না। গাছে ওঠা কষ্টের, ঝুঁকিও অনেক। আমাদের পুরোনো পেশা হলেও এখন মানুষ আগ্রহ দেখায় না।” তিনি জানান, গত শীতের তিন মাসে রস–গুড় বিক্রি ও অন্যের গাছ কাটার কাজ মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়—তার ছেলে আর এ পেশায় আসতে চাইছেন না।

এলাকাজুড়ে একই চিত্র। অনেক খেজুরগাছ মালিক বলছেন, গাছে ওঠার নিরাপদ ও সহজ ব্যবস্থা না থাকায় তরুণরা গাছি হতে চাইছে না। ফলে গাছের সংখ্যা থাকলেও অনেক অংশে রস সংগ্রহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাঁদের ধারণা, নারকেল গাছে ওঠার মতো কোনো সহজ যন্ত্র খেজুরগাছের জন্য তৈরি হলে উৎপাদন অন্তত দ্বিগুণ বাড়তে পারে।

মনিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বীথি বলেন, “খেজুর রস ও গুড় আমাদের ঐতিহ্য। কিন্তু দক্ষ গাছির অভাব আর নিরাপদে গাছে ওঠার কোনো আধুনিক প্রযুক্তি না থাকায় উৎপাদন কমছে। সহজ কোনো যন্ত্র আবিষ্কার হলে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে—উৎপাদনও দ্রুতই বাড়বে।” তিনি জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কৃষি গবেষণা সংস্থাকে জানানো হয়েছে।

গাছি ও খেজুরগাছ মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে

পেশায় ঝুঁকি বেশি

আর্থিক নিরাপত্তা নেই

আধুনিক যন্ত্রের অভাব

নিয়মিত প্রশিক্ষণ নেই

তরুণদের আগ্রহ কম

তাদের মত, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ হলে যশোরের গুড় শিল্প আবারও নতুন সম্ভাবনার পথে ফিরতে পারে।

এদিকে যশোরের ভবদহ অঞ্চলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে খেজুরগাছের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে, যা পুরো শিল্পকে আরও চাপের মুখে ফেলছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট