1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীতে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ভারতে বসেই রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন শেখ হাসিনা ও আ.লীগ নেতারা সিলেটে হাওরে লন্ডন প্রবাসীর রহস্যময় আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার আজ ঢাকাজুড়ে কর্মসূচির ভিড়: বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের সভা–সমাবেশ টুটপাড়া ট্রিপল মার্ডার: আলোচিত আসামি বিসমিল্লাহ গ্রেপ্তার, রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে শবে বরাতের রাতে ভাইরাল মির্জা-কন্যার ফেসবুক পোস্ট জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: ডিবির হাতে আটক বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

নরসিংদীতে গ্রামবাসীর সংঘর্ষে প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ১৪ বছরের মুস্তাকিম

 

নিজস্ব প্রতিনিধি | নরসিংদী

 

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মুস্তাকিম মিয়া (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের চরাঞ্চল সায়দাবাদ এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মুস্তাকিম ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী মাসুদ রানার ছেলে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, চরাঞ্চল সায়দাবাদ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোষ্ঠীগত বিরোধ চলে আসছিল। এর আগে একাধিকবার সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এলাকায় বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে।

স্থানীয়ভাবে এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন হানিফ মাস্টার এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন এরশাদ মিয়া। এই বিরোধের জেরে বুধবার সকালে এরশাদ মিয়ার অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হানিফ মাস্টারের অনুসারীদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে এরশাদ গ্রুপের সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না গুলি ছোড়ে। এতে মুস্তাকিম গুলিবিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সায়দাবাদ এলাকার রফিকুল ইসলাম (৩৭), সোহান (২৬) ও রোজিনা বেগম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। অন্য আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। নিহতের মা শাহানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, সকালে আমার ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিল। তখন ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না তাকে গুলি করে। আমরা কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নই। যারা আমার বুক খালি করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমল চন্দ্র ধর বলেন,

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুস্তাকিমকে হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরের বাম পাশে গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। গুলিটি শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গেছে। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আহতের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট