1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে শবে বরাতের রাতে ভাইরাল মির্জা-কন্যার ফেসবুক পোস্ট জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: ডিবির হাতে আটক বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভারী বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কা, মরক্কোর এক শহর থেকে সরানো হলো অর্ধেকের বেশি মানুষ টানা তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত জাপান, প্রাণ হারালেন অন্তত ৩০ জন শাকিবের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন নুসরাত ফারিয়া কক্সবাজার শিক্ষা সফরে গিয়ে নিখোঁজ দশম শ্রেণির ছাত্রী, স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রাঙ্গুনিয়ায় গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান, অস্ত্রসহ দুইজন আটক

ভারী বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কা, মরক্কোর এক শহর থেকে সরানো হলো অর্ধেকের বেশি মানুষ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

কাসার এল-কেবির প্রায় ফাঁকা, লুক্কোস নদীর পানি বৃদ্ধি ও বাঁধ উপচে পরিস্থিতি জটিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

মরক্কোয় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যার গুরুতর ঝুঁকি দেখা দেওয়ায় উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর কাসার এল-কেবির থেকে ৫০ হাজারের বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লুক্কোস নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের বসতিপূর্ণ এলাকায় ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, তবে বাসিন্দাদের শহর ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা হিশাম আজতু জানান, কাসার এল-কেবির এখন প্রায় জনশূন্য। সব দোকানপাট ও বাজার বন্ধ রয়েছে। অনেক মানুষ স্বেচ্ছায় এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন, আর বাকিদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বন্যার ঝুঁকি বিবেচনায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী শিবির।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শহরের কাছে অবস্থিত উয়েদ মাখাজিন বাঁধ সম্পূর্ণ ভরে যাওয়ায় অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দিতে হচ্ছে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
উদ্ধার কার্যক্রমে মরক্কোর সেনাবাহিনী সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। সেনাসদস্যদের পাশাপাশি চিকিৎসক দল, ট্রাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। বাস ও ট্রাকের মাধ্যমে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আটকেপড়া বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেবু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিদি কাসেম অঞ্চলের কয়েকটি গ্রাম থেকেও বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, টানা সাত বছর খরার পর মরক্কোয় এবার ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের খরা কাটলেও নতুন করে বন্যা, নদীভাঙন ও বাঁধ উপচে পড়ার মতো সংকট দেখা দিয়েছে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট