1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ ঢাকাজুড়ে কর্মসূচির ভিড়: বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের সভা–সমাবেশ টুটপাড়া ট্রিপল মার্ডার: আলোচিত আসামি বিসমিল্লাহ গ্রেপ্তার, রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে শবে বরাতের রাতে ভাইরাল মির্জা-কন্যার ফেসবুক পোস্ট জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: ডিবির হাতে আটক বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের ইন্তেকাল নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ভারী বৃষ্টিতে বন্যার শঙ্কা, মরক্কোর এক শহর থেকে সরানো হলো অর্ধেকের বেশি মানুষ টানা তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত জাপান, প্রাণ হারালেন অন্তত ৩০ জন শাকিবের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন নুসরাত ফারিয়া

নওয়াপাড়া রিজিয়া বেসরকারি হাসপাতালে নবজাতক বিক্রির অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

মায়ের সম্মতি ও স্বজনদের যোগসাজশে গোপনে শিশু হস্তান্তর, প্রশ্নের মুখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

যশোরের অভয়নগরে রিজিয়া মেমোরিয়াল (প্রঃ) বেসরকারি হাসপাতাল থেকে নবজাতক শিশুকে তার মা ও স্বজনদের যোগসাজশে গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শিশু পাচারসহ একাধিক গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলেও এখনো কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রসবের পর হাসপাতালেই শিশুটিকে অন্য এক দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, অর্থের বিনিময়ে এই লেনদেন সম্পন্ন হয় এবং এতে শিশুর মা, স্বজনরা ছাড়াও হাসপাতালের ভেতরের কয়েকজন ব্যক্তি নীরব ভূমিকা পালন করেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপনে সংঘটিত হওয়ায় জন্ম নিবন্ধন ও হাসপাতালের রেকর্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর দাবি, হাসপাতালের মতো একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কীভাবে এমন জঘন্য অপরাধ সংঘটিত হতে পারে—তা তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

 

আইনের চোখে কী অপরাধ?

 

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবজাতক শিশু বিক্রি করা কোনোভাবেই বৈধ নয়, এমনকি মা সম্মতি দিলেও তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন অনুযায়ী, শিশু কেনা-বেচা ও পাচার গুরুতর অপরাধ

অপরাধ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান রয়েছে, একাধিক ব্যক্তি যোগসাজশে জড়িত থাকলে সবাই সমানভাবে দায়ী হবেন

আইনজীবীরা আরও জানান, ঘটনাটি যদি হাসপাতালের ভেতরে ঘটে থাকে এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জেনেও কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

আইন অনুযায়ী, নবজাতকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হাসপাতালের নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব। হাসপাতালের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত থাকলে কিংবা অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও মামলার আওতায় আসবে। এ ঘটনায় দ্রুত পুলিশ ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, শিশু বিক্রির মতো অপরাধ রোধে এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আরও বাড়তে পারে। এবিষয়ে নওয়াপাড়া রিজিয়া মেমোরিয়াল (প্রাঃ) হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার আইয়ুব আলী বলেন,  শিশুটি কি ভাবে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে গেল আমি এটা বলতে পারবোনা। মা ও শিশু দু’জনই সুস্থ ছিলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট