
চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রতিনিধি:
পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন নাইখাইন গ্রামের আ’লীগ ট্যাগ দিয়ে নিরীহ লোকজনকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করছেন বলে ভুক্তভোগী সুএে জানা গেছে। কতিপয় লোকজন একটি সিন্ডিকেট গঠন করে এসব অপকর্মে করছেন বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
এবিষয়ে বিশিষ্ট সমাজ কর্মী বাম সংগঠক শ্যামল বড়ুয়া পরাগ জানান, তার এলাকার একজন পুলিশ কন্সটেবল, এী দেব বড়ুয়ার সাথে তার পারিবারিক জায়গা জমি বিরোধ রয়েছে, এসংক্রান্ত বিষয়ে সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা নং ৭৬২২/২৪ ইং চলমান রয়েছে। উক্ত মামলার জের ধরে পুলিশের প্রভাব বিস্তার করে তাকে
আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে হয়রানি অপচেষ্টা চালাচ্ছে মর্মে তিনি অভিযোগ তুলেন।
এছাড়াও বিগত সময়ে বিভিন্ন মেয়াদে কৃষি স্কুল এন্ড কলেজ এর পরিচালনা কমিটি সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার দুই ছেলে সেনাবাহিনীতে কর্মরত, তার জায়গা সংক্রান্ত আদালতে অপর মামলা নং ১৬২১ ও ১৪০ পৃথক দুটি মামলা আদালতে বিচারধীন।
উক্ত বিরোধ এর জের ধরে প্রতিপক্ষরা বিভিন্ন কূটকৌশলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এছাড়াও তিনি বিগত সময়ে স্কুলের উন্নয়নমুলক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কথিত নেতাদের ছবি সুপার এডিট করে তার ছবি জয়েন্ট করে হয়রানি করছে। সে এবিষয়ে তার সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছেলেদের সাথে পরামর্শ করে পুলিশ সিকিউরিটি সেলে অভিযোগ দেওয়া প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান। হয়রানি শিকার ভুক্তভোগী মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির পটিয়া পৌরসভার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশেকানে খাজা ও মাইজভান্ডারি ভক্ত মো: দিদারুল আলম জানান, আমি কোন অন্যায় না করে হয়রানি শিকার হয়েছি, এখনো হয়রানি
করার চেষ্টা করা হচ্ছে, এভাবে হয়রানি হলে মানুষ যাবে কোথায়? শুধু মাএ আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে আমার সাথে পারিবারিক ও ক্ষরিদা সম্পক্তি দখল করে নিতে বারংবার হয়রানি চেষ্টা করা হয়।
বিভিন্ন সুএে জানায়, নাইখাইন কথিত লোক সিন্ডিকেট গঠন করে হয়রানি করছে, আমার বেশ কিছু জায়গা জবরদখল করে নিতে সিন্ডিকেটটি বারংবার বিভিন্ন চল-চাতুরী পরিকল্পনা করে পুলিশকে ভুল বুঝিয়ে হয়রানি করতে চাচ্ছে, আমার ছোট ছেলে -মেয়ে, পরিবার পরিজন রয়েছে, মানুষের মানুষের জন্য, আমি সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, আমি বিষয়টি উর্ধতন পুলিশ প্রশাসন মানবিক দৃষ্টিতে হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানান। কোন অফিসার করছে বিষয়টি নাম বললেও নামটি গোপন রাখা হয়েছে, এবং ভুক্তভোগীদের কাছে তথ্য প্রমান রয়েছে বলে জানান।