1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে জখম, পিস্তল দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গনতন্ত্র পরিষদের সিলেট জেলা শাখার ৭১ বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ বকেয়া ভাতা তুলতে ঘুস দাবি, বাঁশখালীতে পরিবার পরিকল্পনার অফিস সহকারী গ্রেপ্তার রংপুরে কারাগারে থাকা বিষাক্ত মদ বিক্রেতার মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে জাল দলিল তৈরির ১ চক্রকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কালীগঞ্জ আড়াইশ বছরের পুরনো মাছের (জামাাই) মেলাকে নিয়ে আনন্দ-উৎসব সিদ্ধান্ত হবে হ্যাঁ ও না ভোটে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ: রংপুরে আলী রীয়াজ নড়াইলের কালিয়ায় মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় স্কুলছাত্র গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সদস্য হলেন আবুল হোসেন মজুমদার

রিপোর্ট বিভ্রান্তি না গাফিলতি, পালস্ ডায়াগনস্টিকের ভুলে রোগীর জীবন সংকটে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

অভয়নগর প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় অবস্থিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পালস্ ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার-এর দেওয়া পরপর দুটি আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে চরম অমিল ধরা পড়েছে। এতে রোগী ব্যবস্থাপনায় মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও সচেতন মহলের মধ্যে। ভুক্তভোগী তরুণী মোছা. কুলসুম (১৯)-এর আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট দুটি পর্যালোচনায় ডায়াগনস্টিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্বহীনতা ও অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন তার স্বজনরা। প্রথম রিপোর্টে বলা হয় ‘Incomplete Abortion’ ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রতিষ্ঠানের ডাক্তার শেখ কেরামত আলী প্রদত্ত রিপোর্টে লেখা হয়, Sonologically Incomplete Abortion এতে জরায়ুর ভেতরে গর্ভজাত অংশ (RPC) থাকার কথা উল্লেখ থাকলেও জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ বা রক্তক্ষরণের কোনো ইঙ্গিত ছিল না। মাত্র ৭ দিন পর দ্বিতীয় রিপোর্টে ‘Ruptured Ectopic Pregnancy’

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে একই সেন্টারের ডাক্তার তনুশ্রী বিশ্বাস প্রদত্ত দ্বিতীয় রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

Ruptured Right Tubal Ectopic Pregnancy with Hemoperitoneum যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে জীবন-সংকটজনক জরুরি অবস্থা হিসাবে বিবেচিত।

একজন স্থানীয় গাইনী চিকিৎসক বলেন, এ ধরনের এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি হঠাৎ তৈরি হয় না।

প্রথম রিপোর্টে কোনো ক্লু না থাকা বড় ধরনের গাফিলতির ইঙ্গিত দেয়। ভুক্তভোগীর স্বজনদের দাবি, ভুল রিপোর্টে চিকিৎসকরা বিভ্রান্ত হয়েছেন, এতে রোগীর জীবন হুমকির মুখে পড়ে। তারা ঘটনার বিচার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চান।

এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুর রাজিব বলেন,

বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির রিপোর্টিং প্রক্রিয়া, যন্ত্রপাতি ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ভূমিকা যাচাই করা হবে। তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, রোগী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য সেবায় অবহেলা বা ভুল রিপোর্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ঘটনা সম্পর্কে পালস্ ডায়াগনস্টিকের পরিচালক ডাক্তার স্বাগত দাস বলেন, রিপোর্টে তেমন কোন সমস্যা নেই, দুইবার রিপোর্টে একটু সমস্যা হয়েছে, আমরা বিষয়টি দেখতেছি কেন এমন হল।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট