
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার সংসদ ভবন এলাকা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ আশপাশের সড়কজুড়ে যতদূর চোখ যায়, মানুষ আর মানুষ দেখা যাচ্ছে। তারা এসেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে। সারাদেশ থেকে ছুটে এসেছে মানুষ। জীবনের শেষ সময়ে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে খালেদা জিয়া যে পরিচয় স্থাপন করেছেন, তা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে এই জনস্রোতে। প্রকৃতিও তাদের সঙ্গে সহমর্মিতা দেখিয়েছে; কনকনে ঠান্ডা কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে সকাল থেকে ওঠা মিষ্টি রোদ।
দুপুর ২টায় খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে জিয়া উদ্যানে সমাহিত করা হবে। তার মৃত্যুতে সরকার একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে এবং তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে।
কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংসদ ভবন ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ। রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে লাল-সবুজ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ফ্রিজার ভ্যানে করে মরদেহ আনা হয়।
এর আগে, সকাল ১১টার দিকে ছেলে তারেক রহমানের গুলশান বাসা থেকে মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি যাত্রা শুরু করে। এতে অংশ নেন পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে প্রয়াণ করেছেন খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।