1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু রংপুরে অজ্ঞান অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উদ্ধার তীব্র শীতে মানবতার উষ্ণতা অসহায় মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল কুড়িগ্রামে গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে আটক পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ আজ তাযকিয়াতুল উম্মাহ’য় আলেম হতে করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান, যশোর-২ আসনে সাবিরা সুলতানার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ব্যাংক ঋণ জটিলতায় যশোর–২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, যশোরে এক ব্যক্তির মৃত্যু নড়াইলরে কালিয়ায় বো’মা সদৃশ্য বস্তুর বি’স্ফো’রণ, চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত!  

‎অভয়নগর ভূমি অফিসে দেলোয়ারের দৌরাত্ম্য: ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

অভয়নগর প্রতিনিধি

‎যশোরের অভয়নগর উপজেলা ভূমি অফিস নিয়ে মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। জমিজমার কাজ করতে গেলে অফিস সহকারী কাম-পেশকার দেলোয়ার হোসেনের ঘুষ-বাণিজ্যের শিকার না হয়ে কেউ বের হতে পারছে না এমন অভিযোগ বহুদিনের। মানুষ বলছে, তাঁর কাছে না গেলে যেন অফিসের কোনো ফাইলই সামনে এগোয় না।

‎‎স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় তিন বছর আগে দেলোয়ার এই অফিসে যোগদানের পর থেকে পুরো চিত্রটাই যেন পাল্টে গেছে। সহজ সরল কৃষক, দিনমজুর, বিদেশফেরত শ্রমিক বা বয়স্ক জমির মালিক সবার কাছেই তিনি একই কৌশল ব্যবহার করছেন। কেউ নামজারি, ওয়ারিশ সনদ, জমাভাগ বা রেকর্ডের ছোটখাটো সংশোধন নিয়ে গেলে দেলোয়ার প্রথমেই বলেন পেপারে ত্রুটি আছে, কাজটা ঝুঁকিপূর্ণ… সময় লাগবে। ‎এর পরেই শুরু হয় তাঁর পরিচিত খেলা।

‎সমাধানের দোহাই দিয়ে অনৈতিক সুবিধা দাবি। যারা দিতে রাজি হয়, তাদের ফাইল দ্রুত চলে যায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)–এর টেবিলে। আর যারা ঘুষ দিতে না পারে, তাদের ফাইল দিনদিন, সপ্তাহে সপ্তাহে, এমনকি মাসেও নড়ে না।

‎‎ভুক্তভোগীরা বলছে, দেলোয়ার নিজের প্রভাব ব্যবহার করে এমনভাবে ফাইল সাজান যে সহকারী কমিশনারের কাছে বিষয়টি “ঝুঁকিপূর্ণ” মনে হয়। ফলে তিনি স্বাক্ষর করেন না। এভাবে অফিসের প্রশাসনিক চক্রের মধ্যেই আটকে থাকে সাধারণ মানুষের কষ্টের ফাইল। ‎একজন ভুক্তভোগীর ভাষায়, দেলোয়ারকে টাকা না দিলে কোনো কাজ হয় না। তিনবার গেছি, তিনবারই নতুন নতুন ত্রুটি দেখিয়েছে। শেষে বললো ব্যবস্থা করে নেন।  টাকা না দিলে অফিসে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া কিছু করার থাকে না। ‎এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবো না। আমার স্যারের সঙ্গে কথা বলেন। ‎অভিযোগ নিয়ে একাধিকবার ফোন করা হলেও অভয়নগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল ফারুকী ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎‎অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালাউদ্দিন দিপু বলেন এ বিষয়ে কেউ আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টা গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবো। ‎অভয়নগরের এই চিত্র নতুন নয়, কিন্তু দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভূমি অফিসগুলোর দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুর্নীতি সংস্কৃতির বাস্তব উদাহরণ। নামজারি বা রেকর্ড সংশোধনের মতো মৌলিক সেবা যা একজন নাগরিকের অধিকার তা আজ ঘুষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ‎গ্রামাঞ্চলের মানুষ কাগজপত্র সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ায় দেলোয়ারের মতো কর্মচারীরা ‘ত্রুটি’ শব্দটিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। প্রশাসনিক তদারকি দুর্বল হওয়ায় তাঁদের দাপট আরও বেড়ে গেছে। ‎ভুক্তভোগীরা বলছেন জেলা প্রশাসক সরাসরি তদন্ত করলে পুরো চিত্র বেরিয়ে আসবে। জমির জন্য মানুষকে এক বছর দৌড়াদৌড়ি করতে হয়, আর দেলোয়ারের হাত পেরোলে কয়েক ঘণ্টায় ফাইল শেষ হয়ে যায়। সবার প্রত্যাশা একটি স্বচ্ছ তদন্ত হোক, এবং ভূমি অফিস আবার মানুষের আস্থা ফিরে পাক।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট