1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু রংপুরে অজ্ঞান অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উদ্ধার তীব্র শীতে মানবতার উষ্ণতা অসহায় মানুষের পাশে ইঞ্জিনিয়ার শাকিলুর রহমান শাকিল কুড়িগ্রামে গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে আটক পবিত্র লাইলাতুল মেরাজ আজ তাযকিয়াতুল উম্মাহ’য় আলেম হতে করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান, যশোর-২ আসনে সাবিরা সুলতানার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা ব্যাংক ঋণ জটিলতায় যশোর–২ আসনে বিএনপি প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, যশোরে এক ব্যক্তির মৃত্যু নড়াইলরে কালিয়ায় বো’মা সদৃশ্য বস্তুর বি’স্ফো’রণ, চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত!  

গাছি সংকটে কমছে রস–গুড় উৎপাদন, হুমকিতে যশোরের খেজুর শিল্প

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

পেশায় অনাগ্রহ, ঝুঁকি আর আধুনিক যন্ত্রের অভাবে কমছে উৎপাদন বিপদে গাছি ও গাছের মালিকরা

রিপন হোসেন সাজু, মনিরামপুর (যশোর)

যশোর অঞ্চলে খেজুরগাছের সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও রস ও গুড়ের উৎপাদন উল্টো কমছে। গাছি সংকট, পেশায় অনাগ্রহ, ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এবং আধুনিক যন্ত্রের অভাবে ঐতিহ্যবাহী খেজুর রস সংগ্রহের শিল্প বড় ধরনের চাপে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন গাছিরা, সমস্যায় গাছের মালিকরাও।

মনিরামপুর উপজেলার কাশিপুর গ্রামের অভিজ্ঞ গাছি আব্দুস সামাদ (৬৫) প্রায় ৫০ বছর ধরে খেজুরগাছে কাটার কাজ করছেন। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আগের মতো আর পারি না। গাছে ওঠা কষ্টের, ঝুঁকিও অনেক। আমাদের পুরোনো পেশা হলেও এখন মানুষ আগ্রহ দেখায় না।” তিনি জানান, গত শীতের তিন মাসে রস–গুড় বিক্রি ও অন্যের গাছ কাটার কাজ মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়—তার ছেলে আর এ পেশায় আসতে চাইছেন না।

এলাকাজুড়ে একই চিত্র। অনেক খেজুরগাছ মালিক বলছেন, গাছে ওঠার নিরাপদ ও সহজ ব্যবস্থা না থাকায় তরুণরা গাছি হতে চাইছে না। ফলে গাছের সংখ্যা থাকলেও অনেক অংশে রস সংগ্রহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাঁদের ধারণা, নারকেল গাছে ওঠার মতো কোনো সহজ যন্ত্র খেজুরগাছের জন্য তৈরি হলে উৎপাদন অন্তত দ্বিগুণ বাড়তে পারে।

মনিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বীথি বলেন, “খেজুর রস ও গুড় আমাদের ঐতিহ্য। কিন্তু দক্ষ গাছির অভাব আর নিরাপদে গাছে ওঠার কোনো আধুনিক প্রযুক্তি না থাকায় উৎপাদন কমছে। সহজ কোনো যন্ত্র আবিষ্কার হলে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে—উৎপাদনও দ্রুতই বাড়বে।” তিনি জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কৃষি গবেষণা সংস্থাকে জানানো হয়েছে।

গাছি ও খেজুরগাছ মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে

পেশায় ঝুঁকি বেশি

আর্থিক নিরাপত্তা নেই

আধুনিক যন্ত্রের অভাব

নিয়মিত প্রশিক্ষণ নেই

তরুণদের আগ্রহ কম

তাদের মত, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির প্রয়োগ হলে যশোরের গুড় শিল্প আবারও নতুন সম্ভাবনার পথে ফিরতে পারে।

এদিকে যশোরের ভবদহ অঞ্চলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারণে খেজুরগাছের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে, যা পুরো শিল্পকে আরও চাপের মুখে ফেলছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট