1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলের লোহাগড়ায় আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসপি আল মামুন শিকদার নড়াইলের কালিয়া থানা পুলিশের অভিযান চাঁদাবাজি মামলার আসামি আমিন সরদার গ্রেপ্তার আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনে  স্বতন্ত্র প্রার্থী  শাখাওয়াত হোসেন হিরু বৈধতা পেলেন রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী বর্তমান সরকার কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়: রংপুরে বদিউল আলম রাতে কয়লা চুরি, দিনে ছাই–বালু মিশিয়ে বিক্রি, অভয়নগরে সক্রিয় নজরুল খান চক্র বেপরোয়া  ভোটের আগে রাজধানীসহ সারাদেশে হত্যার মিছিল জুলাই যোদ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা, আহত দুই কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু রংপুরে অজ্ঞান অবস্থায় স্বতন্ত্র প্রার্থী উদ্ধার

কুড়িগ্রামে দুধকুমারের ভয়াল ভাঙন: এক দেড় মাসেই ঘরহারা তিন শতাধিক পরিবার

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

ব্রহ্মপুত্র দুধকুমার–গঙ্গাধরের তাণ্ডবে ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসার শঙ্কা; রাত জেগে বাঁধের পাশে মানুষ, কোথাও নেই স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
নদীভাঙন যেন কুড়িগ্রামের মানুষের অন্তহীন শোক। নাগেশ্বরী উপজেলাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার আর গঙ্গাধরের আগ্রাসী স্রোতে দেড় মাসেই ভেঙে গেছে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি, মসজিদ, বাজার, ফসলি জমি। প্রতিদিনই নতুন নতুন পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে দিশেহারা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নদীর তীরজুড়ে আতঙ্ক। মাটিতে ফাটল দেখা দিলে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তা হুড়মুড় করে নদীতে মিশে যাচ্ছে। নারায়ণপুর ইউনিয়নের কন্যামতি, পদ্মারচর, বালারহাটসহ বহু গ্রামে রাতভর পাহারা দেয় মানুষ শেষ সম্বলটুকু রক্ষা করার মরিয়া চেষ্টা।

গত এক মাসে শুধু দুধকুমারের কুটিরচর এলাকায় ভেঙে গেছে ২৬টি পরিবার। নদীতে বিলীন হয়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি, সাতের বেশি স্থাপনা আর ৭০ বিঘা ডালক্ষেত। ডুবে গেছে ১৩ বিঘা কলাবাগানও। হুমকির মুখে মসজিদ, বিদ্যালয়, মাদ্রাসাসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

ভাঙনে নিঃস্ব হওয়া আয়নাল হক বললেন, “গাঙ্গ সব খাইয়া নিল, বউ-বাচ্চা লইয়া এখন কোথায় যামু? একই সুর সুরমান আলীর এক রাতেই সব শেষ। এখন বাঁচমু কীভাবে?

গঙ্গাধর নদীতেও একই করুণ চিত্র। কচাকাটা ইউনিয়নের ধনিরামপুর, মাঝিপাড়া, বালারহাট থেকে অন্তত ৫০টি বাড়ি ভেঙে নিয়েছে নদী।

ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাদাৎ হোসেনের অসহায় স্বীকারোক্তি, মানুষ প্রতিদিন সাহায্যের জন্য আসে। কিন্তু আমাদের হাতে কিছুই নেই।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কাজ করছি। তবে বাজেটের সীমাবদ্ধতায় সব জায়গায় দ্রুত কাজ করা যাচ্ছে না। বরাদ্দ পেলেই স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট