1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ভারতীয় অস্ত্রের বড় চালান উদ্ধার: পাঁচ পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল, নেতাকর্মীদের ঢল খুলনা আদালত গেটের সামনে দিনে-দুপুরে গুলি ও কুপিয়ে দুই যুবককে হত্যা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আয়ু সুস্থতা কামনা করে পটিয়ায় যুবদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জিবন-এর এনওয়াইপিডিতে কর্নরতদের পদোন্নতি উদযাপন ও প্যানেল সমর্থন ঘোষণা ১-১২ তম নিবন্ধন ধারীদের পাশে দাড়ালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান পটিয়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল দিলেন এয়াকুব আলী: চার শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আয়োজনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত বাঘা শাহদৌলা সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা! একই দিনে শ্রীমঙ্গলে দুই স্থানে অজগর উদ্ধার, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের দ্রুত তৎপরতা

ডিমলায় সরকারি নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মত স্কুল ছুটি। 

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃমামুন নীলফামারী প্রতিনিধি

নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বিদ্যালয়ে তালা লাগিয়ে সবাই বাড়িতে চলে গেছেন।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। কিন্তু সরকারি এ নিয়মের তোয়াক্কা করেন না নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খালিশা চাপানী  ইউনিয়নের ডালিয়া নীল সাগর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবাশ চন্দ্র রায় । স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিজের খেয়ালখুশিমতো বিদ্যালয় ছুটি দেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর ) ৩টা ২০মিনিটে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলে  তালা ঝুলছে। সব কক্ষ বন্ধ,শ্রেণি কক্ষের জানালা খোলা,মাঠে গরু বাধা।

বেলা ৩টা ৩০মিনিটের  দিকে ফোন করে কেমন আছেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সুবাশ রায় বলেন, ‘ভালো আছি। এই মাত্র  বাড়িতে আসলাম

নির্ধারিত সময়ের  আগেই বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩টা ২৫মিনিটে ছুটি দিয়ে চলে এসেছি। নিয়ম তো নাই, আজকে একটু হয়ে গেছে, আর এমন হবে  না, সরকারি নিয়ম কি সবাই মানে?

ডালিয়া নীল সাগর  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নীল সাগর ক্যানেলের  পাশে অবস্থিত। ১৯৮৮সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে পাঁচজন শিক্ষক ও ৭৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের নিজের ইচ্ছেমতো বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। সরকারি নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করেন না। ইচ্ছেমতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। বিদ্যালয়ের অবস্থান নিভৃত পল্লীতে হওয়ায় কর্তৃপক্ষও তেমন নজরদারি করেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই এলাকার এক যুবক বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক যেটা করে, স্কুলে সেটাই হয়। ১০থেকে ১১টা পযর্ন্ত  প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী শিক্ষক স্কুলে আসে।নিয়মিত পড়াশোনা হয় না,তাই দিনে দিনে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে।  স্কুলটার হিজিবিজি অবস্থা। এগুলো আমরা বললে ঝগড়া লাগে। একই এলাকার লোক, কিছু বলতে পারি না।’

বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী  বলেন, ‘কী কারণে সরকারি সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দিল, এটা খতিয়ে দেখা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে আর এমন ঘটনা না ঘটে। বিদ্যালয়টি নিয়মিত সময় অনুযায়ী চালু থাকলে শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না।’

ডিমলা  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ধীরেন্দ্র নাথ রায় প্রতিবেদককে  বলেন, ‘কোনোভাবেই ৪টার আগে স্কুল ছুটি দেওয়ার সুযোগ নেই। কেন তিনি সময়ের  আগেই বিদ্যালয় বন্ধ করলেন, তা আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট