
মোঃ কামরুল ইসলাম টিটু,বাগেরহাট শরনখোলা প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার; ৭ নং রাজৈর ওয়ার্ড বাসস্ট্যান্ড ব্রাক সংলগ্ন আঞ্চলিক মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী ফরিদ মাতুব্বরের ঘর লুট সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
০৩-১০-২০২৫ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার বিকালে। সরজমিনে গেলে
ফরিদ মাতব্বর বলেন। এখানে আমার
৪’৬৬ একর জমি। প্রতিপক্ষ ( গং) এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সালিশি বৈঠক চলে। প্রতিপক্ষদয় সালিশি মানে না। পরবর্তীতে আমি আদালতের আশ্রয় নেই। আদালত আমাকে একাধিক রায় দেয়। উক্ত আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে। গত ইং -৩০-০৯-২০২৫ তারিখ আমি জমিতে ঘর দরজা তুলি এবং বসবাস করি। ঐদিনই প্রতিপক্ষরা
স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমার ঘরের কাছে পুলিশ আসেন। এবং কাগজপত্র নিয়ে থানায় যাওয়ার জন্য বলেন।
পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর আব্দুল আজিজসহ স্থানীয় সালিশদারদের নেতৃত্বে: কাগজপত্র দেখা হয়। উভয় ঘোষণা করেন আমি ও আমার কাগজ পত্র রাইট বলে জানান। প্রতিপক্ষরা প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তীতে উভয়ের আলোচনার প্রেক্ষিতে। আগামী (৭)দিনের মধ্যে: উভয় পক্ষের চারজন উকিল নিয়ে সালিশ প্রস্তাবের প্রস্তাব আসে আমি উক্ত প্রস্তাব মেনে নিই।
ঘটনার সূত্র:০৩-১০-২০২৫ ইং তারিখ
রোজ শুক্রবার বিকালে ৭/৮ জনের
একটি সন্ত্রাসী দল। আমার ঘরে এসে
মহিলাদের খারাপ ভাষায় গালিগালাজ
করে। ভাঙচুর সহ ।ঘরে থাকা মালামাল গ্যাস সিলিন্ডার’বস্তা ভরা চাল’হাড়ি পাতিল ইত্যাদি নিয়ে যায়।যার আনুমানিক মূল্য: ৩০০০০! ত্রিশ হাজার) টাকা।
আমি রাতেই শরনখোলা থানায় যোগাযোগ করি। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাব ইন্সপেক্টর আজিজ বলেন।
ফরিদ মাতুব্বর( গং) থানায় আসছিল।
বিষয়টি অবগত করেছেন।
ঘরে থাকা: জেসমিন বেগম বলেন বিকাল পাঁচটার দিকে আমি ঘরে থাকা অবস্থায় ৭/৮ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ঘরের সামনে আসে এবং গালিগালাজ করে আমি আমার মান সম্মানের তাগিদে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাই।
পরে এসে দেখি ঘরে কোন মালামাল নাই এবং ঘর ভাঙচুর অবস্থায় আছে। প্রত্যক্ষদর্শী তরিকুল ইসলাম বলেন: সন্ত্রাসী গংরা আমাকে আঘাত করে আমরা দুইজন থাকায়। সেখান থেকে দৌড়ে চলে যাই। ফরিদ মাতব্বর বলেন: আমার কাছে ইতিপূর্বে ১০৭ টি
আদালতের রায়ের কাগজ আছে।যার নং৪৬/১১রি /নং ৯/২২ যাহার আদেশ ন ১০৭ অনুযায়ী।
এমত অবস্থায় প্রতিপক্ষরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে আমার জীবননাশের আশংকা নিযে।সময়
পার করছি।