নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের অভয়নগরে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নামে মানুষের সাথে বহুমাত্রিক প্রতারণা করে চলেছে অভয়নগর উপজেলার ৫ নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী ফকিরবাগান গ্রামের মৃত- কালিপদ বিশ্বাসের ছেলে রতন বিশ্বাস(৫২) নামের এক ব্যক্তি। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, কোন পাশ না করে দীর্ঘদিন তিনি রোগীর চিকিৎসা করেন। সম্প্রতি চাপে পড়ে তিনি ২০২২ সালে লাইসেন্স করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ১৫ বছর তিনি দেধারছে কোন বাঁধা ছাড়ায় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে দীর্ঘদিন হাতুড়ে চিকিৎসক সেবা দেওয়ার নামে অপচিকিৎসা বেশি করেছেন। এমনকি তিনি দীর্ঘদিন রাজশাহীতে থাকা অবস্থায় তার ভাইয়ের ছেলে এসএসসি পাস করা শিশুকে দিয়ে করেছেন রোগীর চিকিৎসা। ফলে শিশু দিয়ে রোগীর চিকিৎসা করানোর কারণেই তার অপচিকিৎসার বিষয়টি স্থানীয় মানুষের নজরে আসে। যে কারণে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, তার এহেন কর্মকান্ডে মানুষের ক্ষতি হয়ে গেলে তার দায়ভার কে নিবে। তারা আরো বলেন ওই নামধারী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রতনের কোঠিন শাস্তি হওয়া উচিৎ। এব্যাপারে অনুসন্ধানে গেলে সবকিছুর সত্যতা পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দীর্ঘদিন তিনি বাড়ির সাথে চেম্বার খুলে নিয়ে রোগীর চিকিৎসা করেন। পাশাপাশি তার ঘরভর্তি ঔষধে ভরপুর তিনি রোগী দেখার পাশাপাশি মানুষের স্বরলতার সুযোগে ঔষধ বিক্রি করে থাকেন। যে ঔষধ এর দাম ২০০ টাকা তিনি রোগীদের কাছ থেকে রাখেন ৪০০ টাকা। ফলে সাধারণ মানুষকে কৌশলে ঠকিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে দীর্ঘদিন তিনি ঔষধ বিক্রি করলেও তার ঔষধ বিক্রি করার সরকারি কোন অনুমতি নেই। একাধিক মানুষের অভিযোগ রতন বিশ্বাস ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ঔষধ বিক্রি করেন কি ভাবে। এবিষয়ে রতন বিশ্বাস সবকিছু স্বীকার করে বলেন ভুল হয়েছে এমনটি আর হবেনা। এর পর থেকে সবকিছু ঠিক করে চিকিৎসা সেবা করবো। এবিষয়ে নিউজ প্রকাশ না করার জন্য একাধিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এবিষয়ে ঔষুধ প্রশাসনের কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের যোগাযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। জরুরি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রতন বিশ্বাসের ঔষধ বিক্রি ও চিকিৎসা বিষয়ে তদন্ত পূর্বক কঠোর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি করেছেন সচেতন মহল।