অভয়নগর প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে ভূয়া কবিরাজ শিরাজুল ইসলাম শিরাজ(৪৫) নামের এক ভন্ড কবিরাজ তদবির দেওয়া অজুহাতে ১৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে এক নারীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভূয়া ভন্ড ওই নামধারী কবিরাজ শিরাজুল ইসলাম দীর্ঘদিন কবিরাজি করার অজুহাতে বিভিন্ন নারীদের সাথে অনৈতিক কর্নকান্ড করে আসছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অসহায় নারীদের স্বরলতার সুযোগ নিয়ে হাতিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, আমি একটি ছেলের সাথে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। আমার ওই প্রেমিক হঠাৎ আমাকে এড়িয়ে চলতে থাকে এবং আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। আমি লোক মাধ্যমে জানতে পারি ওই শিরাজ কবিরাজের তদবিরে সে ফিরে আসবে। আমি আসা করে অভয়নগর উপজেলার বাঘুটিয়া গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে ভূয়া কবিরাজ শিরাজের শরণাপন্ন হয়ে আমার সব কথা শুনে ওই কবিরাজ আমার প্রেমিককে আমার কাছে এক সপ্তাহের মধ্যে এনে দেওয়ার কথা বলে ১৭ হাজার টাকা গ্রহন করে। পরে ১৫ দিন পার হয়ে গেলেও আমার প্রেমিক ফিরে না আসায় আমি আবার ওই কবিরাজের কাছে যায়। তারপর কবিরাজ শিরাজ বলে আমার কাছে রাতে থাকলে আমাকে খুশি করলে আমি যে তদবির দিবো তাতে তোমার প্রেমিক ফিরে আসবে। কবিরাজের এমন কথা শুনে আমি প্রতিবাদ করে চলে আশি আমি ওই কবিরাজের কঠোর শাস্তি চায়। আমার মতো অনেক নারীর সাথে সে ওইরকম করে আসছে অনেকে লোকলজ্জায় মুখ খোলেনা। উল্লেখ ওই ভূয়া ভন্ড কবিরাজ স্বামী স্ত্রী অমিল নারী বন্ধাত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদবির দেওয়া অজুহাতে অসহায় মানুষের সাথে দীর্ঘদিন প্রতারণা করে আসছে। এমনকি ওই ভন্ড কবিরাজ বিয়ে করেনি। সরে জমিনে দেখা যায়, পুরাতন একটি বাড়িতে ঘরের মধ্যে বেশকয়েকজন নারীর মাঝে তিনি বসে তার ওইসব অপকর্ম করছে। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। এবিষয়ে ওই ভূয়া ভন্ড কবিরাজের কাছে সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সে সবকিছু অস্বীকার করে বলেন, আমি অনেক বিষয়ে কবিরাজি করি, যে মহিলার কথা বলছেন সে মাত্র ২০০ টাকা দিয়েছিলো আমি তাকে কোন কু-প্রস্তাব দেয়নি। আপনি এইসব ঝাড়ফুঁক কবিরাজি করেন সরকারি কোন অনুমতিপত্র আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার সরকারের কোন অনুমতি পত্র লাগেনা।
সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে তদন্ত করে ওই ভূয়া, ভন্ড নামধারী কবিরাজ শিরাজের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দাবি করেছেন সচেতন মহল।