নিজস্ব প্রতিবেদক
বিয়ে শেষে নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে গাড়ি থামিয়ে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার সিপাহীপাড়া থেকে কনেকে ছিনিয়ে নিয়ে যান আপন ভাই। এ ঘটনায় বর অসহায় অবস্থায় একা বাড়ি ফিরতে বাধ্য হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বর মুরাদ বেপারী নববধূ সুমাইয়া আক্তারকে নিয়ে বরযাত্রীরা ফেরার সময় মোটরসাইকেল নিয়ে বরযাত্রার গাড়ির গতিরোধ করে। পরে নববধূকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়। আপন বোন হলেও প্রকাশ্যে নববধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বর মুরাদ টঙ্গীবাড়ি উপজেলার পুরা এলাকার মৃত শফি বেপারীর ছেলে। আর কনে সুমাইয়া সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার পুকুরপাড় বাঁশতলা গ্রামের মোহাম্মদ সুমনের কন্যা। প্রায় ছয় মাস আগে মুরাদ-সুমাইয়ার কাবিন হয়। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয় শুক্রবার। এই অনুষ্ঠানেই খাবার নিয়ে কনে পক্ষ ও বর পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে কনের ভাই কয়েকজন লোকজন নিয়ে গাড়ি আটকায় এবং নববধূকে জোরপূর্বক নামিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন বর মুরাদ বেপারী।
তিনি জানান, দুই পক্ষের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনেকে নিয়ে রওনা হন বরযাত্রীরা। কিন্তু কিছুদূর আসতেই তার শ্যালক কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে এসে গাড়ির গতিরোধ করেন। পরে আমার বিয়ে করা স্ত্রীকে যেতে বাধ্য করেন। শুধুমাত্র খাওয়া নিয়ে বরযাত্রীদের সঙ্গে ঝগড়াকে কেন্দ্র করেই এমনটি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে কনে পক্ষের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম সাইফুল ইসলাম জানান, তার থানায় এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। হয়তো নিজেদের ব্যাপার, অভিযোগ করার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে কনের পক্ষের মোহাম্মদ অনিক জানিয়েছেন, ঘটনাটি পারিবারিকভাবে সমাধান করা হচ্ছে।