
নিজস্ব প্রতিবেদক
নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা গ্রামের মুক্তার মোল্লার ছেলে বিপ্লব মোল্লার রোপণকৃত ১৫ লাখ টাকার গাছ কেটে লুট করে নিয়েছে প্রতিবেশি ভূমিদস্যু সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুর রহমান মোল্লা ও তার দলবল। এব্যাপারে ভুক্তভোগী বিপ্লব বাদি হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞ আমলী আদালত নড়াইল সদরে একটি মামলা করেছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগষ্ট শুক্রবার বাদি তার ব্যক্তিগত কাজে খুলনাতে যায়। সেই সুযোগে একই গ্রামের মৃত পাজ্ঞু মোল্লার ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য ভূমিদস্যু সফিকুর রহমান মোল্লা ও তার সহযোগীরা বাদির জমি দখলকৃত জমি থেকে ১৫ লাখ টাকা মুল্যর মেহগনি গাছ কেটে লুট করে নিয়ে যায়। পরে বাদি বাড়ি এসে বিষয়টি জেনে দেখে গ্রামবাসীর মাধ্যমে বিচারপ্রার্থী হয়ে মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়ে ন্যায় বিচার চেয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেছেন। এবিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, মৃত পাজ্ঞু মোল্লার ছেলে মুক্তার মোল্লা ও সফিকুর রহমান মোল্লা জমি সংরান্ত বিরোধ দীর্ঘদিন চলে আসছে। তারি ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময় সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুর রহমান মোল্লাসহ তার সহযোগীরা মুক্তার মোল্লা ও তার ছেলে বিপ্লব মোল্লাসহ ওই পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যাসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছে। ফলে মামলার বাদি বিপ্লবসহ তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে। এব্যাপারে ভদ্রবিলা গ্রামের এলাকাবাসী একাধিক বার সালিশ মিমাংসা করেও তাদের ওই বিরোধ মিমাংসা করতে পারেনি। এবিষয়ে মামলার বাদি বিপ্লব মোল্লা বলেন, সফিকুর মেম্বার আমার চাচা তিনি কারো কথা শুনেনা। আমার লাখ-লাখ টাকার গাছ লুট করে কেটে নিয়েও সে থামেনি বিভিন্ন সময় আমিসহ আমার পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যাসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছে। যে কারণে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুকছি। আমাদের উপর সফিকুর মেম্বার যে রকম অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছেন তা বলে শেষ করা যাবেনা। এবিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুর রহমান মোল্লার মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া আদেশ দিয়েছেন।