1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার গ্রেফতার ৪ দাগনভুঁইয়ায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের  এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর শর্ত সাপেক্ষে ক্রিকেটে ফিরতে প্রস্তুত কোয়াব মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে জখম, পিস্তল দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গনতন্ত্র পরিষদের সিলেট জেলা শাখার ৭১ বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি গোয়াইনঘাটে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ বকেয়া ভাতা তুলতে ঘুস দাবি, বাঁশখালীতে পরিবার পরিকল্পনার অফিস সহকারী গ্রেপ্তার রংপুরে কারাগারে থাকা বিষাক্ত মদ বিক্রেতার মৃত্যু

দীর্ঘ ৩৯ বছর লড়াই করার পর ১০০ টাকা ঘুষের মামলা থেকে মুক্তি পেলেন তিনি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এক সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ থেকে ৩৯ বছর পর মুক্তি পেলেন তিনি। ভারতের ছত্তিশগড় হাইকোর্ট সম্প্রতি এমন একটি যুগান্তকারী রায় দিয়েছেন। এই রায়ে প্রমাণিত হয়েছে, ন্যায়বিচার পেতে দেরি হলেও তা কখনো অস্বীকার করা হয় না।

ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মধ্যপ্রদেশ রাজ্য পরিবহন করপোরেশনের প্রাক্তন বিলিং সহকারী জগেশ্বর প্রসাদ অবস্থির বিরুদ্ধে। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরেও সেই অভিযোগ তার কাছে কাঁটার মতো বিঁধছিল। তবে ৩৯ বছরের আইনি লড়াইয়ের পর ১০০ টাকার ঘুষের মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন তিনি। জানা গেছে, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ২০০৪ সালে জগেশ্বর প্রসাদ অবস্থিকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন ছত্তিশগড়ের নিম্ন আদালত। সেই সঙ্গে তার এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে গিয়েছিলেন তিনি। তার বিরুদ্ধে কোনো উপযুক্ত প্রমাণ না পাওয়ায় ছত্তিশগড় হাইকোর্টের বিচারপতি বিভু দত্ত গুরু ওই অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দিয়েছেন।

মামলাটি ছিল ১৯৮৬ সালের। সে সময় অভিযোগ করা হয়েছিল, জগেশ্বর প্রসাদ বকেয়া বিল নিষ্পত্তির জন্য কর্মচারী অশোক কুমার বর্মার কাছে ১০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলেন। হাইকোর্ট দেখতে পান এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা মামলায় গুরুতর ত্রুটি ছিল।

নিম্ন আদালতের রায়ের ত্রুটি হিসেবে হাইকোর্ট বলেছেন, ঘুষ চাওয়ার প্রমাণ দিতে কোনো স্বাধীন সাক্ষী ছিল না। ছায়া সাক্ষী স্বীকার করেছেন যে তিনি কথোপকথন শোনেননি এবং ঘুষ গ্রহণও দেখেননি। এ ছাড়া সরকারি সাক্ষীরা ২০-২৫ গজ দূরে ছিলেন, ফলে লেনদেন দেখতে পাওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জব্দ করা ঘুষের টাকা একটি ১০০ টাকার নোট ছিল, না কি দুটি ৫০ টাকার নোট ছিল, তা স্পষ্ট ছিল না।

জগেশ্বর জানিয়েছেন, যে সময়ে এই অভিযোগ তোলা হয় তখন কোনো বিল পাস করার ক্ষমতা তার ছিল না। তিনি সেই ক্ষমতা পেয়েছিলেন তার কয়েক মাস পরে। তবে এত দিন পরে হলেও অভিযোগ থেকে মুক্তি পাওয়ায় স্বস্তি পেয়েছেন তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট