1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ভারতীয় অস্ত্রের বড় চালান উদ্ধার: পাঁচ পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল, নেতাকর্মীদের ঢল খুলনা আদালত গেটের সামনে দিনে-দুপুরে গুলি ও কুপিয়ে দুই যুবককে হত্যা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আয়ু সুস্থতা কামনা করে পটিয়ায় যুবদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জিবন-এর এনওয়াইপিডিতে কর্নরতদের পদোন্নতি উদযাপন ও প্যানেল সমর্থন ঘোষণা ১-১২ তম নিবন্ধন ধারীদের পাশে দাড়ালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান পটিয়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল দিলেন এয়াকুব আলী: চার শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আয়োজনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত বাঘা শাহদৌলা সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা! একই দিনে শ্রীমঙ্গলে দুই স্থানে অজগর উদ্ধার, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের দ্রুত তৎপরতা

খাদ্য কর্মকর্তার চালবাজির কারবারে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক 

সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে অনিয়ম-দুর্নীতির বড় ধরনের অভিযোগ উঠেছে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ও সরকারি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এলএসডি) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে। চাল সংগ্রহ ও বিতরণে অনিয়মের মাধ্যমে তিনি ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বরে কোটি টাকা লেনদেন করেছেন, এমন তথ্যও মিলেছে।  মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর একাধিক ব্যাংক হিসাব ঘেঁটে অস্বাভাবিক লেনদেনের সত্যতা পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাল সংগ্রহ কর্মসূচিতে মিল মালিকদের দেওয়া চালের বিল আত্মসাতসহ নিয়ম বহির্ভূতভাবে নিম্নমানের চাল গুদামজাত করায় এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন নাসির উদ্দিন লাল নামে রৌমারীর এক চালকল মালিক। এ মামলার পর তাকে রৌমারী থেকে দিনাজপুরের বিরামপুরে বদলির আদেশ জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্তে একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধান ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে রৌমারী খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান ক্রয়, আর্থিক সুবিধা নিয়ে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, চাল বিতরণে ঘুষ বাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পূর্বের কর্মস্থল ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার যাদুরানী খাদ্যগুদামে কর্মকালীনও তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এসব অনিয়ম-দুর্নীতির খবর একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলেও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি খাদ্য বিভাগ।সম্প্রতি রৌমারীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগসহ নিম্নমানের চাল গুদামজাত করার অভিযোগ ওঠে মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে। উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে কয়েকটি ডিলার পয়েন্টে নিম্নমানের চালের সন্ধানও পাওয়া যায়। এছাড়া, গত বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সরকারি গুদাম থেকে চাল বের করার সময় দুই ট্রাক নিম্নমানের চাল আটক করে স্থানীয় জনতা। গুদাম কর্মকর্তা শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী নাসির উদ্দিন লাল বলেন, সরকারি গুদামের তালিকায় শামীম এন্টারপ্রাইজ নামে কোনও মিল-চাতাল নেই। গুদাম কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শামীম এন্টারপ্রাইজের নামে আমার সরবরাহ করা ১০ টন চালের টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন। এর আগে, গত আমন মৌসুমে তিন লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনও প্রতিকার পাইনি। তাই, আমি বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেছি। এদিকে মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর ব্যক্তিগত হিসাব নম্বরে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সোনালী ব্যাংক রৌমারী শাখা এবং ময়মনসিংহ শাখায় তার ব্যক্তিগত সঞ্চয়ী হিসাব নম্বরে এসব লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া যায়। সোনালী ব্যাংক রৌমারী শাখার হিসাব নম্বরের তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২৫ মে তার হিসাব নম্বরে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা হয়। ২ জুন হিসাব নম্বরে ২৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জমা হয়। ৩ জুন রৌমারীর কর্তিমারী শাখা থেকে চেকের মাধ্যমে একবারে ৩৩ লাখ ১০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন এই গুদাম কর্মকর্তা। ২৫ মে থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত ওই হিসাব নম্বরে ৮২ লাখ টাকার জমা ও উত্তোলন হয়েছে। এটি ছাড়াও এই কর্মকর্তার আরেকটি হিসাব নম্বরের তথ্য পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ সোনালী ব্যাংক শাখার সেই নম্বরে লেনদেনের যে তথ্য পাওয়া গেছে, তা আরও চাঞ্চল্যকর। ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই হিসাব নম্বরে প্রায় কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। রৌমারী এবং কুড়িগ্রাম শহর থেকেও ওই হিসাব নম্বরে টাকা পাঠানো হয়েছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই হিসাব নম্বরে স্থিতি ছিল ৫ লক্ষাধিক টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন সরকারি কর্মচারীর ব্যাংক হিসাব নম্বরে এমন লেনদেন অস্বাভাবিক। এসব টাকার উৎস কী, তা তদন্তের দাবি রাখে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এমন অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর পাঠিয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত এলএসডি কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত হলে সত্য বেরিয়ে আসবে। তবে আমি এসব করি না। ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তিনি বলেন, রৌমারী থেকে আমার চাচাতো ভাই গরু কিনে নিয়ে যেতেন। ওই টাকা আমার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করেছেন। এর বাইরে কিছু নাই। তবে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে এভাবে লেনদেন করা ঠিক হয়নি আমরা। আরেকটি হিসাব নম্বরে অস্বাভাবিক লেনদেন থাকার প্রশ্নে এই খাদ্য পরিদর্শক বলেন, আমার ভাইয়েরা ব্যবসা করেন। সেই লেনদেন হয়েছে ওই হিসাব নম্বরে। কিন্তু এসব নিয়ে তো সাংবাদিকদের কাজ করার কথা নয়। এ বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হামিদুল হক বলেন, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। কমিটি এসব অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিলে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট