1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুরির অভিযোগে গণপিটুনি, যশোরে এক ব্যক্তির মৃত্যু নড়াইলরে কালিয়ায় বো’মা সদৃশ্য বস্তুর বি’স্ফো’রণ, চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত!   জঙ্গলখাইনে আ.লীগ ট্যাগ দিয়ে নিরীহ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ আবুল বশর ফকির আর নেই: জাপা’র নেতৃবৃন্দ শোক যশোর ডিবির সাঁড়াশি অভিযানে রানা প্রতাপ হত্যা রহস্য উদঘাটন চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ গাজীপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার গ্রেফতার ৪ দাগনভুঁইয়ায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম ১২ (পটিয়া) আসনের  এলডিপি প্রার্থী এয়াকুব আলীর আপিল নামঞ্জুর

মনিরামপুরে মেয়ের হত্যাকারী বাবা, জনমনে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার ঝড়

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি মাসের গত ৮ তারিখে ভোরবেলা মনিরামপুরের রোহিতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা  মিজানুর রহমানের বাড়ির পুকুর থেকে ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা পড়ুয়া (মাহমুদা) কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল তার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মেয়েটির বাবা মাওলানা আইনুল হক নিজে-ই মেয়েকে রুটি চুরির অপরাধে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে পুলিশ ও আদালতের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মণিরামপুর থানা তথ্য মিডিয়া সেল। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আদালতে তিনি জবানবন্দী দিলে তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

‎আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনার (৮ই সেপ্টেম্বর) দিন দুপুরে রুটি চুরির কথা শুনে দোকানদারের সামনে মেয়েটিকে তার মা জুতা দিয়ে মারেন।সে সময় মেয়েটির ঘাতক পিতা আয়নুল  মসজিদে নামাজ পড়াতে যাচ্ছিলেন। পরে তিনি ফিরে এসে মেয়েকে মারপিট করার এক পর্যায়ে গলাটিপে ধরলে মেয়েটি মারা যায়। তখন মরদেহ গোপন করে রেখে রাতে এশার নামাজের পর তিনি সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের পুকুরে মরদেহ ফেলে দেন।

‎পুলিশ জানিয়েছে, মেয়ের মরদেহ পা ধরে পানিতে নিক্ষেপ করার সময় মেয়ের পায়জামা খুলে বাবার হাতে থেকে যায়। পরে তিনি পায়জামা ও ওড়না পুকুরে ফেলে দেন।

‎এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর মেয়েকে ধ*র্ষ*ণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করেছিলেন। তখন মেয়েটির বাবা সাথে ছিলেন। এরপর পুলিশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কোন তথ্য পায়নি। কিন্তু গত ৩-৪ ধরে মেয়েটির বাবা আত্মগোপনে চলে গেলে পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। পরে বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আয়নুল হককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি পুলিশের কাছে মেয়েকে হ*ত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

‎মৃতের বাবার করা মামলা থেকে ধর্ষণের ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মণিরামপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ বাবলুর রহমান খান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, আপনারা সঠিক সংবাদ প্রচার করুন, প্রশাসনকে একটু সময় দিন। অপরাধী যেই হোক পুলিশ তাকে খুঁজে সামনে আনবে।

এদিকে একাধিক গণমাধ্যমে মেয়ের বাবার স্বীকারোক্তির আগে করা নিউজের প্রেক্ষিতে সোস্যাল মিডিয়ায় ও জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুলাহ আল মামুন তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন- বাবাই যদি মেয়েকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিবে। তাহলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণ কথা কিভাবে আসে? এবিষয়ে প্রথমে নিউজ হয়েছিল রুটি চুরির অপরাধে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে মারধর, পুকুরে মিললো লাশ। পরে নিউজ হয়েছে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এখন শুনছি বাবা নিজেই হত্যাকারী। বিষয়টি আমাকে অবাক করে তুলেছে।

সাংবাদিকের এমন পোস্টে মণিরামপুরের একাধিক লোক একেকভাবে মন্তব্য করেছেন। যেখানে অধিকাংশ মন্তব্যই মেয়ের বাবাকে ফাঁসানো হয়েছে, তিনি অপরাধী না! একজন বাবা তার মেয়ের সাথে এমন করতে পারে না, আরও তিনি একজন ধর্মপরায়ণ মাওলানা-এমন বোঝানো হয়েছে।

তাহলে কি ঘটনার অন্তরালে লুকিয়ে আছে অন্য কোন ঘটনা? বিষয় টা খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছেন সচেতন মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট