1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ভারতীয় অস্ত্রের বড় চালান উদ্ধার: পাঁচ পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল, নেতাকর্মীদের ঢল খুলনা আদালত গেটের সামনে দিনে-দুপুরে গুলি ও কুপিয়ে দুই যুবককে হত্যা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আয়ু সুস্থতা কামনা করে পটিয়ায় যুবদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জিবন-এর এনওয়াইপিডিতে কর্নরতদের পদোন্নতি উদযাপন ও প্যানেল সমর্থন ঘোষণা ১-১২ তম নিবন্ধন ধারীদের পাশে দাড়ালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান পটিয়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল দিলেন এয়াকুব আলী: চার শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আয়োজনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত বাঘা শাহদৌলা সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা! একই দিনে শ্রীমঙ্গলে দুই স্থানে অজগর উদ্ধার, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের দ্রুত তৎপরতা

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক ৭, মুক্তি পেলেন ৬ জন—স্বামী একা কারাগারে

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

মো: আল মুমিন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টর, ‎‎‎গাইবান্ধা।

‎‎গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামে বাসর ঘরে নববধূ (১৮) ধর্ষণের অভিযোগে স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে আটক করেছিল পুলিশ। কিন্তু আটকের ২৪ ঘণ্টা না যেতেই স্বামী ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একমাত্র আসিফ কারাগারে।

‎এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আলোচনা–সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—বাসর ঘরে যদি সত্যিই “সংঘবদ্ধ ধর্ষণ” ঘটে থাকে, তবে অন্য ছয়জনকে কেন ছেড়ে দেওয়া হলো? আর যদি না ঘটে থাকে, তবে একজন বিবাহিত স্বামী কীভাবে ধর্ষণের আসামি হন?

‎২৭ আগস্ট বিয়ে হয় আসিফ মিয়ার সঙ্গে ওই তরুণীর। পরদিন রাতে, ২৮ আগস্ট, বাসর ঘরেই তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। ২৯ আগস্ট দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় নববধূকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর শরীরে যৌন নিপীড়ন ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।

‎ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহযোগিতায় আসিফসহ সাতজনকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু পরদিনই ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শুধু স্বামীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

‎সাঘাটা থানার একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে “তদন্তে অন্যদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে তাঁরা স্পষ্ট করে বলতে পারেননি, নববধূর অভিযোগে যদি “সংঘবদ্ধ ধর্ষণ” বলা থাকে, তাহলে অন্যদের মুক্তি দেওয়ার যৌক্তিকতা কী।

‎গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, “একজন স্বামীও যদি জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, তবে সেটি ধর্ষণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। তবে এখানে যেহেতু ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে, তাই অন্যদের দ্রুত ছেড়ে দেওয়া আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার প্রশ্ন তোলে।”

‎স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এ ঘটনার পর পুলিশ যে তাড়াহুড়ো করে অন্যদের ছেড়ে দিল, সেটি রহস্যজনক। তাঁদের অভিযোগ, কোনো প্রভাবশালী মহলের চাপে হয়তো মামলার কিছু অংশ আড়াল করার চেষ্টা চলছে।

‎ওসমানেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমরা শুনেছি বাসর ঘরেই কয়েকজন মিলে নির্যাতন চালিয়েছে। এখন যদি স্বামী ছাড়া সবাই ছাড়া পেয়ে যায়, তাহলে সত্যটা কোথায়?”

‎সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, “স্বামীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের ব্যাপারে এখনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্ত চলছে। তদন্তে যাদের নাম আসবে, তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

‎তবে মূল প্রশ্ন রয়ে গেছে—বাসর ঘরের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগে যদি ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’ লেখা থাকে, তাহলে তদন্তের আগেই কেন ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হলো?এই মামলার তদন্ত কতটা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে এগোবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট