মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে সুদখোর হারুন গাজীর তান্ডবে এক মাংস ব্যবসায়ী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলার কাপাশহাটি গ্রামের ভুক্তভোগী সাঈদ শেখের ছেলে মোঃ সবুজ হোসেন বাদি হয়ে অভয়নগর থানায় হারুন গাজীর নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী মাংস ব্যবসায়ী সাঈদ শেখ অভিযোগকারী বাদির পিতা ব্যবসা করার জন্য উপজেলার কাপাশহাটি গ্রামের শুকুর গাজীর ছেলে হারুন গাজীর কাছ থেকে আনুঃ ২ বছর আগে ৭৫ হাজার টাকা ধার সুদে গ্রহন করেন। এযাবৎকাল সুদখোর হারুন গাজীকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পরেও সুদখোর হারুন গাজীর আসল ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধে ভুক্তভোগী ব্যর্থ হয়। ফলে রবিবার ২৪ আগষ্ট সকাল আনুঃ ১১ টার সময় ভুক্তভোগী সাঈদ শেখ ভাঙ্গাগেট কাঁচা বাজারে চা দোকানে বসে ছিলেন। সেখানে হারুন গাজী গিয়ে সুদের পাওনা টাকা চাই। কিন্তু সাঈদ শেখের কাছে কোন টাকা না থাকায় পরে টাকা দিবো জানালে হারুন গাজী চা দোকানে তর্কাতর্কীর এক প্রর্যায়ে চা দোকানে রাখা কাঠের চলা নিয়ে ভুক্তভোগী সাঈদ শেখের মাথায় আঘাত করে। যে কারনে সাঈদ শেখের মাথা ফেঠে যায়। আসামি হারুন গাজী সাঈদ শেখের শরীরে বিভিন্ন স্থানে কাঠের চলা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করতে থাকলে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসামি হারুন চলে যায়। ঘটনা শুনে ভুক্তভোগী সাঈদ শেখের ছেলে মোঃ সবুজ হোসেন পিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে অভয়নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এবিষয়ে ভুক্তভোগী সাঈদ শেখের ছেলে সবুজ হোসেন বলেন, আমার পিতাকে যার এমন ভাবে মারপিট করেছে আমি তাদের কোঠিন শাস্তি চায়। এবিষয়ে কাপাশহাটি গ্রামের সুদখোর হারুন গাজী বলেন, আমি কোন সুদ ব্যবসা করিনা আমার কাছ থেকে ব্যবসা করার কথা বলে তিন বারে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ধার করে এযাবতকাল আমাকে টাকা ফেরত দেয়না আজকে টাকা চাইছি সে বলে টাকা দিতে পারবোনা পারলে আদায় করে নিও এই কথা শুনে আমি কাঠ ধরেছিলাম ধস্তাধস্তিতে মাথায় হালকা লেগেছে যা ভাঙ্গাগেট এলাকার সবাই অবগত আছে।
এবিষয়ে অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।