মোঃ কামরুল ইসলাম টিটু,বাগেরহাট শরনখোলা প্রতিনিধি
মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সভায শরনখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন প্রত্যেক শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ:
তাদের যদি সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে শিক্ষাদীক্ষা, কাজ ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তৈরি করা হয়, তবে তারা তৈরি হবে আগামী দিনের ভবিষ্যৎ হিসেবে। সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে তারা পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানে রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে। শিশুকে শৈশবে যা শেখানো ও দেখানো হয়, বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সে সেটা হওয়ার স্বপ্ন দেখে।””
২১ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় অনুষ্ঠিত শরণখোলা উপজেলার সকল মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার সম্মানিত প্রধান শিক্ষক/সুপারদের সহ উপজেলার বিভিন্ন সম্মানিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
প্রথমে সম্মানিত প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন- এরপর সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।এরই প্রেক্ষিতে উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি মোঃ আনোয়ার পঞ্চায়েত,উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সেক্রেটারি বেলাল হোসেন মিলন,উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত সেক্রেটারি মাওঃ মোস্তফা আমীন,ইসলামি আন্দোলনের সম্মানিত সেক্রটারী মাও: আবু মুসা ও এনসিপির সম্মানিত আবু বক্কর তুহিন তাদের বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন ও সর্বোতভাবে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
শরনখোলা উপজেলায় সম্মিলিতভাবে নিম্নোক্ত বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে-
শিক্ষার্থীদের জন্য –
১.শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা
২.সন্ধার পরে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে উপস্থিতি নিশ্চিত – বাইরে থাকলে অভিভাবক সহ জবাবদিহি করা
৩.শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা –
৪.মাদক, বাল্যবিবাহ, ইন্টারনেট আসক্তি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত বিতর্ক প্রতিযোগিতা,মতবিনিময় সভা ও আলোচনা সভা অব্যাহত রাখা।
৫.খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রতিনিয়ত অভ্যস্ত করা
শিক্ষকদের জন্য –
১.শিক্ষকদের সকাল ১০ঃ০০ হতে ৪:০০ টা পর্যন্ত স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা
২.শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার, পোশাক পরিধান ও ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে যত্নশীল আচরণ
৩. অভিভাবক সম্মেলন করা,শিক্ষার্থীদের নিয়মিত তদারকি করা
৪.কোচিং বা প্রাইভেট না পড়িয়ে প্রয়োজনে বিধিমোতাবেক অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া
৫.স্কুলের সময়ে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত না হওয়া
উপজেলা কমিটি-
১. নিয়মিত সকাল-সন্ধ্যা তদারকি করবে
২.সন্ধ্যার পরে শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনে কাউকে পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
৩.বিধিবহির্ভূত কোচিং, প্রাইভেট সহ অন্যান্য বেআইনি কাজ করলে তদারকি করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ
৪.নোট/গাইড বিক্রয়, মজুদ ও সংরক্ষণে নিয়মিত তদারকি করা
৫.প্রতিমাসের শেষে ফলাফল পর্যালোচনা করা
এরপর ২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপি হতে ক্রয়কৃত ক্রীড়া সামগ্রী উপজেলার সকল মাধ্যমিক ও মাদ্রাসায় প্রদান করা হয়।