1. live@www.jagrotobd.com : Red Line : রেড লাইন Red Line
  2. info@www.jagrotobd.com : দৈনিক জাগ্রত বাংলাদেশ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে ভারতীয় অস্ত্রের বড় চালান উদ্ধার: পাঁচ পিস্তল-গুলিসহ যুবক আটক অভয়নগরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল, নেতাকর্মীদের ঢল খুলনা আদালত গেটের সামনে দিনে-দুপুরে গুলি ও কুপিয়ে দুই যুবককে হত্যা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আয়ু সুস্থতা কামনা করে পটিয়ায় যুবদলের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জিবন-এর এনওয়াইপিডিতে কর্নরতদের পদোন্নতি উদযাপন ও প্যানেল সমর্থন ঘোষণা ১-১২ তম নিবন্ধন ধারীদের পাশে দাড়ালেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান পটিয়ায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল দিলেন এয়াকুব আলী: চার শতাধিক পরিবারের মুখে হাসি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আয়োজনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত বাঘা শাহদৌলা সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা! একই দিনে শ্রীমঙ্গলে দুই স্থানে অজগর উদ্ধার, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের দ্রুত তৎপরতা

যুবককে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা ঘটনায়, পুলিশের অগ্রণী ভূমিকায় ৮ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিখোঁজের দুই দিন পর মো. সবুজ হাওলাদার (২৩) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৮ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার ও সবুজের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আবুল বসার হাওলাদার বাদী হয়ে ১৯ জুলাই মহিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে মহিপুর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কলাপাড়া সার্কেল) সমীর সরকার। তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে ১৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায় মহিপুর থানাধীন কুয়াকাটা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কুয়াকাটার আ. বারেক হাওলাদারের বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলের মধ্য থেকে সবুজ হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সবুজ হাওলাদার শরীফপুর ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ প্রথমে লাল চাঁন (২৪) নামে এক যুবককে ১৯ জুলাই ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লাল চাঁন হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তাদের পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক এবং মোবাইল গেম ও আড্ডার সূত্র ধরে সবুজ, লাল চাঁন ও বেল্লাল একসঙ্গে চলাফেরা করতেন। হত্যার পেছনে পূর্বের টাকা-পয়সাসংক্রান্ত বিরোধ এবং একটি মোবাইল ভিডিও ছিল মূল কারণ। ঘটনার দিন রাত পৌনে নয়টায় সবুজ হাওলাদার আসামি লাল চাঁনের মোবাইল দিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে নিজের মোবাইল দিয়ে লাল চাঁনের শরীরের ভিডিও ধারণ করে। ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর অপর অভিযুক্ত মো. বেল্লাল ঘটনাস্থলে এসে যোগ দেয়। পুলিশ জানায়, পরিকল্পিতভাবে রাত সোয়া ১টার দিকে তারা সবুজ হাওলাদারকে পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ লতাপাতা দিয়ে ঢেকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে লাল চাঁনের ঘর থেকে ভিকটিমের মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। লাল চাঁনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, অপর আসামি বেল্লালকেও একই দিন সকাল সাড়ে ৬টা গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা উভয়েই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট